নবী মুহাম্মদ চাঁদ দুই ভাগ করেনি, চাঁদে আযান শোনা যায়নি, নীল আর্মস্ট্রং ইসলাম গ্রহণ করেনি
ইসলামের কিছু অনুসারীদের মধ্যে একটি প্রচলিত দাবি হলো যে নবী মুহাম্মদ অলৌকিকভাবে চাঁদ দুই টুকরো করে দেখিয়েছিলেন, যা নাকি তৎকালীন মক্কার মানুষ প্রত্যক্ষ করেছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি হাস্যকর ও মিথ্যা গল্প: অ্যাপোলো ১১ মিশনে নীল আর্মস্ট্রং নাকি চাঁদে ফাটল দেখেছেন, আজানের শব্দ শুনেছেন এবং পরে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এই দাবিগুলো শুধুমাত্র বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে অসম্ভব নয়, বরং এতটাই লজ্জাজনক ও বেহায়াপনার পরিচায়ক যে এগুলো প্রচার করা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সততা ও নৈতিকতার প্রতি সরাসরি অপমান। এই নিবন্ধে আমরা এই দাবিগুলোর অসারতা বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং যুক্তির আলোকে খণ্ডন করব, এবং দেখাব কেন এই মিথ্যাগুলো ছড়ানো মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু অংশের অজ্ঞতা ও দায়িত্বহীনতার প্রকাশ। চাঁদ দিখণ্ডিতের দাবি: বিজ্ঞানের কাছে একটি অচল কল্পকাহিনী ইসলামের ধর্মীয় গ্রন্থে, বিশেষ করে কোরানের সূরা আল-কামার (৫৪:১-২)-এ বলা হয়েছে, “ঘটনা ঘনিয়ে এসেছে এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে” । এই আয়াতের ভিত্তিতে কিছু মুসলিম পণ্ডিত ও অনুসারী দাবি করেন যে নবী মুহাম্মদ একবার আঙুলের ইশারায় চাঁদ দুই টুকরো করে দেখিয়েছিলেন, যা মক্কার ...