Posts

Showing posts from July, 2025

ইহুদি নারী সাফিয়্যাহর সাথে মুহাম্মদের যৌনাচার

Image
ইসলামের নামে যে ধর্মটি প্রচারিত হয়েছে, তা আসলে একটি নির্মম, লালসাপূর্ণ এবং যুদ্ধবাজ লোকের কীর্তির সংগ্রহ মাত্র। মুহাম্মদ, যাকে ইসলামী অনুসারীরা 'রাসূল' বলে অন্ধভাবে পূজা করে, তিনি ছিলেন একজন নির্দয় যুদ্ধবাজ, যিনি যুদ্ধের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তাদের সম্পত্তি ও নারীদের লুট করতেন। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হলো খায়বারের যুদ্ধে সাফিয়্যাহ বিনত হুয়াইয়ের ঘটনা। ইসলামী হাদীসগুলো নিজেই এই নির্মমতার সাক্ষ্য দেয়, যা দেখলে যেকোনো সভ্য মানুষের মনে ঘৃণা জাগবে। মুহাম্মদ ছিলেন একজন লুটেরা, ধর্ষক এবং নারী-শোষক, যার ধর্মটি মানবতার কলঙ্ক। প্রথমে দেখা যাক সুনান আবূ দাউদের হাদীস ২৯৯৫-এ কী বলা হয়েছে। আনাস ইবনু মালিকের বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, মুহাম্মদের নেতৃত্বে মুসলিমরা খায়বারে আক্রমণ করে। আল্লাহ নাকি এই দুর্গ জয় করিয়ে দেন, কিন্তু এটা তো আসলে মুহাম্মদের রক্তপিপাসু আক্রমণের ফল! সেখানে হুয়াইয়ের কন্যা সাফিয়্যাহর সৌন্দর্যের কথা মুহাম্মদের কাছে বর্ণনা করা হয়। এই নারীটি সদ্য বিবাহিতা ছিলেন, এবং তার স্বামীকে এই যুদ্ধে মুহাম্মদের লোকেরা নির্মমভাবে হত্যা করে। কী নির্দয়তা! স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই মুহাম্...

লম্পট মুহাম্মদের পালকপুত্রের স্ত্রী জয়নাবকে বিয়ে

Image
একদিন মুহাম্মদ জায়দের বাড়িতে গেল তার সাথে পরামর্শ করতে, কিন্তু  জা য়দ বাড়িতে ছিল না। জয়নাব উঠে মুহাম্মকে স্বাগত জানাল।  জ য়নাব কিছুটা উন্মুক্ত পোশাক পরিহিত অবস্থায় দরজা খুলল। সেই মুহূর্তে মুহাম্মদ তার প্রতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করল এবং বকবক করে কিছু বললো যা খুব কমই বোঝা গেল। তবে মুহাম্মদ স্পষ্টভাবে বলেছিল, "মহান আল্লাহর মহিমা! মহিমা আল্লাহর, যিনি হৃদয়গুলোকে ঘুরিয়ে দেন!" যখন জায়দ বাড়ি ফিরলো, তার স্ত্রী জয়নাব তাকে বললো যে মুহাম্মদ বাড়িতে এসেছিল। জায়দ বললো, "কেন তাকে ভিতরে আসতে বলনি?" সে উত্তর দিলো, "আমি তাকে বলেছি, কিন্তু সে অস্বীকার করেছে।" "তুমি কি তাকে কিছু বলতে শুনেছ?" জায়েদ জিজ্ঞাসা করল। জয়নাব বললো, "যখন মুহাম্মদ চলে যাচ্ছিলো, আমি তাকে বলতে শুনলাম: 'মহান আল্লাহর মহিমা! মহিমা আল্লাহর, যিনি হৃদয়গুলোকে ঘুরিয়ে দেন!'" জায়দ চলে গেল, এবং মুহাম্মদের কাছে এসে বললো, "আল্লাহর রাসূল, আমি শুনেছি আপনি আমার বাড়িতে এসেছিলেন। কেন ভিতরে যাননি, আপনি যিনি আমার কাছে আমার বাবা এবং মায়ের মতো প্রিয়? আল্লাহর রাসূল, সম্ভবত যয়নাব আপ...

আমি কেন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছি ?

Image
ইসলাম ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত আমার জন্য কোনো ক্ষণিকের সন্দেহ ছিল না, এটি ছিল বছরের পর বছর ধরে ইসলামের গ্রন্থ, ইতিহাস এবং সমাজের উপর এর প্রভাব নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনার একটি যাত্রা। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছি, যেখানে ইসলামী ঐতিহ্য গভীরভাবে প্রোথিত। ছোটবেলায় আমি শুনেছি মুহাম্মদের দয়ার গল্প। এই গল্প আমাকে ইসলামকে একটি দয়ার ধর্ম এবং মুহাম্মদকে মানবতার আদর্শ হিসেবে দেখিয়েছিল। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি কুরআন, হাদিস এবং সীরাত পড়তে শুরু করি এবং একটি ভিন্ন বাস্তবতার সম্মুখীন হই। যেখানে রয়েছে দ্বন্দ্ব, সহিংসতা এবং ন্যায়বিচার, সমতা ও দয়ার মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক নৈতিক ত্রুটি। এখানে আমি ইসলাম ত্যাগ করার বিভিন্ন কারণ ব্যাখ্যা করছি, যা ইসলামী উৎস, ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ইসলাম ও মুহাম্মদের কয়েকটি বিষয় আমাকে ভীষণ ভাবে ভাবায় এবং ইসলাম ও মুহাম্মদের প্রতি তীব্র ঘৃণার জন্ম দেয়। এমন অসংখ্য বিষয় রয়েছে যা আমাকে ইসলাম থেকে অনেক অনেক দূরে নিয়ে গেছে, ওগুলোর মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় নিচে আলোচনা করা হল।  ইসলামের মৌলিক একটি প্রশ্ন যা...

কিভাবে বাংলাদেশ জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে

Image
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্বাধীনতা যুদ্ধের এক বছর পর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়। এই সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থার আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিগুলোর একটি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তাঁর শাসনামলে সরকার ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে এগোতে শুরু করে। এই সময় স্কুলের পাঠ্যবই ধর্মনিরপেক্ষভাবে পরিবর্তন করা হয়, জাতীয় ব্যক্তিত্বদের নামে ভবন ও সড়কের নামকরণ করা হয় এবং কোরআন পাঠের মতো ধর্মীয় কার্যক্রম জনসমক্ষে সীমিত করা হয়। কিন্তু ১৯৭৪ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক মন্দা, দুর্ভিক্ষ এবং স্থানীয়ভাবে ইসলামপন্থী আন্দোলনের চাপে শেখ মুজিব জনসমর্থন ধরে রাখতে ইসলামী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে আবারও জনজীবনে অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করেন। এর মধ্যে ছিল নতুন ইসলামিক জাতীয় ছুটির দিন চালু করা, মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা, ইসলামি শিক্ষা ও চর্চায় সহায়তা দেওয়া এবং সরকারি রেডিও ও টেলিভিশনে কোরআন পাঠ পুনরায় চালু করা। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব হত্যার প...

নোংরা ইসলামের আইন: পালক মেয়েকে তার পালক বাবা বিয়ে করতে পারে

Image
মানুষের স্বাভাবিক প্রকৃতি অনুসারে, প্রতিটি নাবালিকা মেয়ের তার পিতার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং যত্নের প্রয়োজন। কিন্তু মুহাম্মদ যা করেছিলেন, তা নিম্নরূপ: মুহাম্মদ প্রথমে দত্তক সন্তান এবং তাদের পিতা-মাতার মধ্যে পবিত্র বন্ধনকে ধ্বংস করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে বিয়ের অনুমতি দিয়েছিলেন। এর ফলে, ইসলাম দত্তক কন্যাকে প্রথম দিন থেকেই দত্তক পিতার এবং দত্তক ভাইদের চোখে একটি যৌন বস্তুতে পরিণত করেছে। যদি দত্তক কন্যা সুন্দরী বা ধনী হয়, তবে দত্তক পিতা তাকে জোর করে নিকাহ করতে পারেন, এবং কোনো ইসলামী আদালত বা দত্তক মা তাকে এটি করতে বাধা দিতে পারে না। এই শরিয়া বিধানগুলোর ফলে, মুহাম্মদের সাহাবীরা এগুলোর অপব্যবহার শুরু করেছিলেন। তারা সৌন্দর্য এবং সম্পদের কারণে তাদের দত্তক কন্যাদের জোর করে বিয়ে করতে শুরু করেছিলেন। সূরা আন-নিসা, আয়াত ১২৭: "হে নবী", তারা তোমাকে নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলো, "আল্লাহই তোমাদেরকে তাদের সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন। তোমরা যাদেরকে তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করো, অথচ বিয়ে করতে চাও......" তাফসীর: আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি এ আয়াতের ব্যাপারে বলেন: কোন ...

ইসলামিক শরিয়া আইন একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন

Image
বাংলাদেশ, একটি গণতান্ত্রিক ও বহুসংস্কৃতির দেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম, জাতি এবং সংস্কৃতির মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে। তবে, ইসলামিক শরিয়া আইনের প্রয়োগ বা এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা প্রায়ই বিতর্কের জন্ম দেয়। এই নিবন্ধে আমরা বিশ্লেষণ করবো কেন শরিয়া আইন বাংলাদেশের জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে, বিশেষ করে এর সামাজিক, আইনি এবং অর্থনৈতিক পরিণতির দিক থেকে। বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা একটি মূল নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় বিভেদের বিরুদ্ধে। শরিয়া আইন, যা প্রধানত ইসলামিক ধর্মীয় বিধানের উপর ভিত্তি করে, ধর্মনিরপেক্ষতার এই নীতির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যা দেশের সামাজিক সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। শরিয়া আইনের কিছু ব্যাখ্যা নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি প্রয়োগ করে, যেমন উত্তরাধিকারে অসম বণ্টন, বিবাহ এবং তালাকের ক্ষেত্রে পুরুষের প্রাধান্য, এবং পোশাক বা চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ। বাংলাদেশে, যেখানে নারীরা শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র এবং রাজনীতিতে অগ্রগতি অর্জন করেছে, শরিয়া আইনের প্র...

বিশ্বব্যাপী হিজাব নিষিদ্ধ করা উচিত

Image
ইসলামী পশ্চাদপদতার একটি জ্বলন্ত প্রতীক হিসেবে হিজাব, যা নারীদের দাসত্বের প্রতিনিধিত্ব করে, বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ করা উচিত। এই মধ্যযুগীয় প্রথা, যা নারীদের শরীর ও মনকে শৃঙ্খলিত করে, আধুনিক সমাজের জন্য একটি অগ্রহণযোগ্য কলঙ্ক। ইসলামের অনুসারীরা যুক্তি দেয় যে হিজাব "পছন্দের" ব্যাপার, কিন্তু এটি প্রকৃতপক্ষে সংস্কৃতিগত নিপীড়নের একটি হাতিয়ার, যা পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যকে শক্তিশালী করে। এই প্রবন্ধে আমরা কঠোরভাবে বিশ্লেষণ করব কেন হিজাব বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ হওয়া উচিত এবং ইসলামী পশ্চাদপদতার এই প্রতীক কীভাবে মানবাধিকারের জন্য হুমকি। প্রাক-ইসলামী যুগ: পর্দার পুরানো কুসংস্কার হিজাবের মতো পর্দা প্রথা ইসলামের আগেও ছিল, এবং এটি ছিল সমাজের উচ্চবর্গের নারীদের দাসত্বের একটি প্রাচীন প্রতীক। খ্রিস্টপূর্ব ১৩শ শতাব্দীতে মেসোপটেমিয়ায় আসিরিয়ান আইনে উচ্চবর্গের নারীদের পর্দা পরতে বাধ্য করা হতো, যাতে তাদের দাসী বা বেশ্যা থেকে আলাদা করা যায় (Keddie, 1991)। প্রাচীন গ্রিস ও রোমে অভিজাত নারীরা মাথায় কাপড় পরতো, যা ছিল তাদের সম্পদ ও পুরুষের অধীনতার চিহ্ন (Llewellyn-Jones, 2003)। বাইজান্টাইন খ্রিস্টান নার...