আমি কেন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছি ?
কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি কুরআন, হাদিস এবং সীরাত পড়তে শুরু করি এবং একটি ভিন্ন বাস্তবতার সম্মুখীন হই। যেখানে রয়েছে দ্বন্দ্ব, সহিংসতা এবং ন্যায়বিচার, সমতা ও দয়ার মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক নৈতিক ত্রুটি। এখানে আমি ইসলাম ত্যাগ করার বিভিন্ন কারণ ব্যাখ্যা করছি, যা ইসলামী উৎস, ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
ইসলাম ও মুহাম্মদের কয়েকটি বিষয় আমাকে ভীষণ ভাবে ভাবায় এবং ইসলাম ও মুহাম্মদের প্রতি তীব্র ঘৃণার জন্ম দেয়। এমন অসংখ্য বিষয় রয়েছে যা আমাকে ইসলাম থেকে অনেক অনেক দূরে নিয়ে গেছে, ওগুলোর মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় নিচে আলোচনা করা হল।
ইসলামের মৌলিক একটি প্রশ্ন যা আমাকে ইসলাম ছাড়তে বাধ্য করেছে, এবং আপনাদেরকেও ভাবতে বাধ্য করবে।
প্রশ্ন: সৃষ্টির উদ্দেশ্য কী ছিল? (আল্লাহর কেন মানুষ সৃষ্টি করলেন?)
এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর কোরানে দেয়া আছে। সূরা আয-যারিয়াত (৫১:৫৬) এ আল্লাহ উল্লেখ করেছেন, "আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধু আমার ইবাদতের জন্য।"
এ থেকে থেকে তো বোঝা যাচ্ছে যে আল্লাহ সকাল বিকাল শুধু "ইবাদত" খেয়ে জীবন ধারণ করেন, ইবাদত না হলে তিনি নিঃশেষ হয়ে যাবেন। কিন্তু না, কোরানে তো বলা আছে আল্লাহ স্বয়ং-সম্পূর্ণ, তার কিছু লাগে না।
বিষয়টি পরিষ্কার করে বলছি। আল্লাহর একটি মূল গুণ, আল-সামাদ—যিনি চিরন্তনভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, যার কারো বা কিছুর প্রয়োজন নেই—বিবেচনা করা হয়। কুরআনের সূরা আল-ইখলাস (১১২:২): “আল্লাহুস সামাদ” (আল্লাহ, যিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ)। সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন।
সমস্যার শুরু এখানেই, একবার আল্লাহ বলেন, আমার কিছু লাগবে না, আমি কারো ধার ধারী না। একটু পরেই বলেন, আমি সবাইকে সৃষ্টি করেছে শুধু আমার ইবাদত করার জন্য। এটাতো দ্বিচারিতা, আল্লাহর গুণাবলীর মধ্যে তো দ্বিচারিতা ছিল বলে আমার মনে পরে না। নাকি ছিল?
আরো আছে, আল্লাহ আবার বলেছে মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, কে তাঁর আদেশ মানে আর কে অমান্য করে। সূরা আল-মুলক (৬৭:২), "যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য, কে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো আমল করে।"
এইটা কোনো কথা ? আপনি বললেন আমার কিছু লাগবে না। আবার আপনি সবকিছু সৃষ্টি করে বললেন শুধু আমার ইবাদত করো। ইবাদত করলে জান্নাত, না করলে জাহান্নাম।
ধরুন আপনি একটি চেয়ার তৈরী করলেন, আপনি যখনি সে চেয়ারে বসলেন তখনি সেটা ভেঙে আপনাকে নিয়ে পরে গেল। এখানে কি চেয়ারের দোষ, নাকি আপনি ঠিকমতো বানাতে পারেননি? আপনি যদি ইসলামিক যুক্তি মেনে নেন, তাহলে দোষ এখানে চেয়ারের, আপনার না।
এটা মনে হচ্ছে কোনো পাগল রাস্তার ধরে বসে ড্যান্ডি খাওয়ার পর মাথায় যে ধরণের চিন্তা আসে, ঠিক সে রকমই মনে হচ্ছে। এর চেয়ে ভ্রান্ত আর কোনো কিছু হতে পারে বলে আমার মনে হয় না, আপনাদের কি মনে হয়?
ইসলাম ও মুহাম্মদের নৃশংসতা:
আমি একজন দয়ালু নবীর পরিবর্তে এমন একজন ব্যক্তির সন্ধান পেলাম, যিনি প্রায়ই অসহিষ্ণুতা ও নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, সহিহ বুখারীতে (খণ্ড ৪, বই ৫২, হাদিস ২৬০) কা’ব ইবনে আল-আশরাফ নামে একজন কবির হত্যার কথা উল্লেখ আছে, যিনি মুহাম্মদের সমালোচনা করেছিলেন।
সুনান আবূ দাউদের ৩৩তম অধ্যায়ের ২য় পরিচ্ছদে (হাদিস ৪৩৬১) উল্লেখ আছে, একজন অন্ধ সাহাবীর একটি দাসী ছিল, এবং সে গর্ভবতী ছিল, যে প্রায়ই মুহাম্মদকে গালি দিত। সাহাবী তাকে বারবার নিষেধ ও ধমক দিলেও সে থামতো না। এক রাতে আবারও নবীকে গালাগালি করলে, অন্ধ সাহাবী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ছুরি দিয়ে হত্যা করেন (পেটের শিশু সহ)।
পরদিন মুহাম্মদ ঘটনা শুনে বলেন, "তোমরা সাক্ষী থাকো, তার রক্ত বৃথা নয় (তার হত্যার জন্য শাস্তি নেই)।" মূল বার্তা এই যে মুহাম্মদকে অবমাননা করলে তাকে হত্যা করা যেতে পারে।
মুহাম্মদের চারিত্রিক ত্রুটি: নারী লালসা ও বিদ্বেষ
মুহাম্মদের নারীদের প্রতি আচরণ আমাকে হতাশ করেছে। তিনি নারীদের “আনন্দের বস্তু” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৩৫১২) এবং “বাঁকা” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৩৫১৩) বলেছেন, যা নারীদের পুরুষের জন্য সরঞ্জামে পরিণত করে। সূরা আল-আহযাব (৩৩:৫০) তাঁকে বিশেষ বৈবাহিক সুবিধা দেয়, যা অন্য মুসলিমদের জন্য ছিল না।
তিনি ৬ বছর বয়সে আয়েশাকে বিয়ে করেন এবং ৯ বছরে শারীরিক সম্পর্ক করেন (সহিহ বুখারী, হাদিস ৬১৩০; সহিহ মুসলিম, হাদিস ৩৩১১), যা সম্মতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রশ্ন তোলে।
তাঁর পালিত পুত্রের স্ত্রী যয়নাব বিনতে জাহশের সাথে বিয়ে (সূরা আল-আহযাব ৩৩:৩৭) বোঝায় তিনি ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য ধর্মীয় গ্রন্থ ব্যবহার করেছেন।
মুহাম্মদের দাসী মারিয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্ক এবং তা আয়শার কাছে হাতেনাতে ধরাপড়ার পরে তাৎক্ষণিক কোরানের আয়াত নাজিল করে তার অপকর্মের বৈধতা দেন, সূরা আত-তাহরীম (৬৬:১-২) বলে: “হে নবী, আল্লাহ তোমার জন্য যা হালাল করেছেন, তুমি তোমার স্ত্রীদের খুশি করতে তা কেন হারাম করছ?
যুদ্ধবন্দীদের প্রতি আচরণও বিরক্তিকর। সূরা আন-নিসা (৪:২৪) এবং সহিহ মুসলিম (বই ৮, হাদিস ৩৪৩২) বন্দী নারীদের সাথে যৌন সম্পর্কের অনুমতি দেয়, এমনকি তাদের স্বামী জীবিত থাকলেও। মুহাম্মদ নিজে খায়বারের যুদ্ধের পর সাফিয়া বিনতে হুয়াইকে নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন এবং শারীরিক সম্পর্ক করেছেন (সুনান আবু দাউদ, হাদিস ২৯৯৫)। দাসী নারীদের সাথে একাধিক পুরুষের অস্থায়ী যৌন সম্পর্কের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল (সহিহ বুখারী, কিতাব-উল-নিকাহ), যা দুর্বল নারীদের শোষণকে বৈধ করেছে।
সহিংসতা ও জিহাদ নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড
ইসলামের মূল গ্রন্থে সহিংসতার আহ্বান রয়েছে, যা আমার সন্দেহকে আরও বাড়িয়েছে। সূরা আত-তাওবাহ (৯:২৯) অমুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বলে যতক্ষণ না তারা জিজিয়া দেয়। সহিহ বুখারী (হাদিস ২৫) এ মুহাম্মদ বলেছেন, “আমাকে লড়াই করতে আদেশ দেওয়া হয়েছে যতক্ষণ না লোকেরা আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই বলে সাক্ষ্য দেয়।”
সূরা আত-তাওবা (৯:১১১) বলে: “আল্লাহ মুমিনদের জান ও মাল কিনে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে। তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, মারে ও মরে।”
বনু কুরাইজা গোত্রের ৯০০ জন পুরুষের গণহত্যা (সহিহ বুখারী, খণ্ড ৪, বই ৫২, হাদিস ৬৮) এবং নাখলা অভিযানে কাফেলা লুণ্ঠন (ইবনে ইসহাক, সীরাত রাসূল আল্লাহ, পৃষ্ঠা ২৮৭) সহিংসতার ধরণ দেখায়।
আইএসআইএস ও আল-কায়েদার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই আয়াত থেকে প্রেরণা নেয়, যেমন সূরা আল-আনফাল (৮:১২)। ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনে বাংলাদেশে সেক্যুলার ব্লগার আহমেদ রাজিব হায়দারকে, ২০১৫ সালে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হয়েছিল। এই হামলাগুলো সূরা আল-মায়িদাহ (৫:৩৩) দ্বারা সমর্থিত, যা আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা বলে।
অনৈতিক বিচার ব্যবস্থা
মুহাম্মদের বিচার ব্যবস্থাও আমার বিশ্বাসে ধাক্কা দিয়েছে। সহিহ বুখারী (হাদিস ৯১৫৫) বলে, একজন মুসলিমকে অমুসলিম হত্যার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় না, যা একটি পক্ষপাতমূলক আইন ব্যবস্থার প্রমাণ দেয়। একটি ডিম চুরির জন্যও হাত কাটা (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৪২৫১), এবং একজন মানসিকভাবে অসুস্থ চোরের হাত-পা কেটে হত্যার ঘটনা (সুনান আবু দাউদ, হাদিস ৪/৫/৫) নিষ্ঠুরতার প্রমাণ দেয়। এই ধরনের শাস্তি আধুনিক মানবাধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক এবং আমার নৈতিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যায়।
কুরআন: ঐশ্বরিক নয়, মানবসৃষ্ট হবার প্রবল যুক্তি
কুরআনকে আল্লাহর চিরন্তন বাণী বলা হয়, কিন্তু আমার কাছে এটি মুহাম্মদের ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ফলাফল বলে মনে হয়েছে। সূরা আত-তাহরীম (৬৬:১-৫) তাঁর স্ত্রী হাফসা ও আয়েশার সাথে তাঁর দাসী মারিয়ার সম্পর্ক নিয়ে ঝগড়ার কথা বলে। এই আয়াতগুলো তাঁকে শপথ ভাঙার অনুমতি দেয় এবং স্ত্রীদের তালাকের হুমকি দেয়, যা বোঝায় কুরআন মুহাম্মদের ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। সূরা আন-নিসা (৪:৯৫) একজন অন্ধ সাহাবীর অভিযোগের পরে সংশোধন করা হয়েছিল, যা প্রমাণ করে যে কুরআন সবসময় নিখুঁত ছিল না। এছাড়া, নাসখ-মানসূখের ধারণা (সূরা আন-নাহল ১৬:১০১), যেখানে পুরোনো আয়াত নতুন দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়, ঐশ্বরিক নিখুঁতত্বের দাবিকে দুর্বল করে।
“শয়তানী আয়াত” (সহিহ বুখারী, খণ্ড ৬, বই ৬০, হাদিস ৩৮৫) আমার বিশ্বাসের উপর বড় ধাক্কা ছিল। মুহাম্মদ প্রথমে পৌত্তলিক দেবতাদের প্রশংসা করে আয়াত পড়েছিলেন (সূরা আন-নাজম ৫৩:১৯-২১), পরে বলেছিলেন শয়তান তাঁকে ভুল পথে নিয়েছিল (সূরা আল-হাজ্জ ২২:৫২)। যদি একজন নবী ঐশ্বরিক ও শয়তানী প্রেরণার মধ্যে পার্থক্য করতে না পারেন, তাহলে কুরআনের সত্যতা কীভাবে বিশ্বাস করা যায়?
ধর্মতাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং আল্লাহর পরীক্ষার অযৌক্তিকতা
ইসলামের ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামো পরীক্ষা করলে তা ভেঙে পড়ে। সূরা আধ-ধারিয়াত (৫১:৫৬) বলে মানুষ ও জিন আল্লাহর ইবাদতের জন্য সৃষ্ট, কিন্তু আল-সামাদ (সূরা আল-ইখলাস ১১২:২) বলে আল্লাহ পরিপূর্ণ, তার কোনো অপূর্ণতা না প্রয়জন নেই। তাহলে কেন ইবাদতের জন্য মানুষ সৃষ্টি? কুরআন ডাইনোসর, নিয়ান্ডারথাল বা বিবর্তন নিয়ে কিছু বলে না, যা এটিকে সপ্তম শতাব্দীর গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশ করে। মুহাম্মদের (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী যে মদিনায় প্লেগ হবে না (সহিহ বুখারী, হাদিস ৫৭১৩), ঐতিহাসিক মহামারী ও কোভিড-১৯ লকডাউনের মাধ্যমে তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
জীবনকে ঐশ্বরিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা (সূরা আল-আন’আম ৬:১৬৫) অন্যায়। সূরা আল-আ’রাফ (৭:১৭৯) বলে আল্লাহ অনেককে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। অমুসলিম পরিবারে জন্মানো বিলিয়ন মানুষ ইসলাম গ্রহণ না করার জন্য শাস্তি পাবে। এই পরীক্ষা অধিকাংশ মানুষের বিরুদ্ধে সাজানো।
ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও সমাজের দমন
সঠিকভাবে বলতে গেলে আমি ২০১০ সালে ধর্মথেকে দূরে সরে যাই এবং এ বিষয়ে পড়াশোনা করতে থাকি, এবং অবশেষে ২০১৭ সালে নিজেকে নাস্তিক হিসেবে গ্রহণ করি। ২০২২ সালে সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকাকালীন আমি ইসলামী কট্টরপন্থার দমনমূলক প্রভাব দেখেছি। শাহবাগ আন্দোলনের সময় সেক্যুলার কণ্ঠগুলোর উপর নির্মম হামলা হয়। আসিফ মহিউদ্দিন ছুরিকাঘাতে আহত হন, আহমেদ রাজিব হায়দার নিহত হন, এবং সানিউর রহমান গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে আহমেদ রাজিব হায়দারকে এবং অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হয়। সমাজে অসংখ্য ঘটনা দেখি যা ধর্ম অবমাননার দায়ে বহু মানুষকে নির্যাতন আর হত্যা করে। আমি এ পর্যন্ত শতাধিক হত্যার হুমকি পেয়েছি।
ইসলাম ত্যাগ করা মুক্তির একটি প্রক্রিয়া ছিল। কুরআন ঐশ্বরিক নয়, বরং মুহাম্মদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার একটি সংমিশ্রণ। তাঁর সহিংসতা, নারীবিদ্বেষ এবং সুবিধাবাদ তাঁকে নৈতিক আদর্শ হিসেবে অযোগ্য করে। ইসলামের জিহাদের সমর্থন, ধর্মতাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং আধুনিক মূল্যবোধের সাথে অসঙ্গতি এটিকে সপ্তম শতাব্দীর একটি মতাদর্শ হিসেবে প্রকাশ করে। আমি পাঠকদের ইসলামী গ্রন্থগুলো যুক্তি ও প্রমাণ দিয়ে পরীক্ষা করার আহ্বান জানাই। সত্য উদঘাটনের পথে সাহস লাগে, কিন্তু এটি অন্ধ বিশ্বাস থেকে মুক্ত একটি জীবনের দিকে নিয়ে যায়।
.jpg)
Comments
Post a Comment