Posts

Showing posts from August, 2025

নবী মুহাম্মদের যুদ্ধের নামে ডাকাতি, গনিমতের মাল লুটপাট ও সহিংসতা

Image
আমি বিশ্বাস করি যে, ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য শান্তি বা আধ্যাত্মিকতা ছিল না, বরং ছিল লুটতরাজ, যৌনতা এবং ক্ষমতার লোভ। এই নিবন্ধে, আমি মুসলিমদের ইতিহাস, কোরান এবং হাদিসের আলোকে দেখাব যে, মুহাম্মদ ছিলেন একজন যুদ্ধপ্রিয়, যে তার অনুসারীদেরকে ধন-সম্পদ এবং নারীদের লোভ দেখিয়ে যুদ্ধে উত্তেজিত করতেন। মুহাম্মদ, যাকে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা বলে দাবি করা হয়, তিনি আসলে একজন রক্তপিপাসু যুদ্ধপতি ছিলেন যিনি ধর্মের নামে অসংখ্য যুদ্ধ, লুটপাট এবং হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিলেন। ইসলামের মূল গ্রন্থ কুরআন এবং হাদিসে তার এই যুদ্ধপ্রিয় চরিত্রের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যেখানে অন্যান্য ধর্মের প্রতিষ্ঠাতারা শান্তি এবং অহিংসার প্রচার করেছেন, সেখানে মুহাম্মদ তার অনুসারীদেরকে অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে উত্তেজিত করেছেন। আমি কুরআন এবং হাদিসের সরাসরি উদ্ধৃতি দিয়ে প্রমাণ করব যে মুহাম্মদের নেতৃত্বে ইসলাম একটি হিংসাত্মক ধর্ম হিসেবে গড়ে উঠেছে, যা মানবতার জন্য একটি অভিশাপ। তার যুদ্ধগুলো ছিল শুধু আক্রমণাত্মক এবং লুটের লোভে চালিত। প্রিয় পাঠক, যদি আপনি আপনার বুদ্ধি এবং যুক্তিকে ত্যাগ করে ইসলামকে গ্রহ...

কাবার কালো পাথর চুম্বন করা মূর্তিপূজার সমতুল্য

Image
ইসলামী ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে মক্কার কাবায় অবস্থিত কালো পাথর (হাজরে আসওয়াদ) চুম্বন একটি অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ এবং যুক্তিহীন রীতি, যা ইসলামের একেশ্বরবাদী দাবির সাথে সরাসরি সংঘর্ষ সৃষ্টি করে। এই পাথরকে চুম্বন করা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং প্রাক-ইসলামী পৌত্তলিকতার একটি প্রমান, যা মুহাম্মদ তার নিজস্ব রাজনৈতিক সুবিধার্থে অব্যাহত রেখেছিল। ইতিহাস, বিজ্ঞানীদের গবেষণা, কুরআন-হাদিসের উল্লেখ, ইসলামী পণ্ডিতদের মতামত এবং অন্যান্য ধর্মের সাদৃশ্যের আলোকে দেখলে স্পষ্ট হয় যে এই পাথর চুম্বন মুহাম্মদের নবুয়তকে একটি কৌশলগত ভুল হিসেবে প্রকাশ করে, যা সত্যিকারের একেশ্বরবাদ থেকে দূরে। কালো পাথরের উৎপত্তি প্রাক-ইসলামী যুগে হয়েছিল, যখন আরব উপদ্বীপের পৌত্তলিক জাতিরা কাবার স্থানকে একটি পবিত্র স্থান হিসেবে পূজা করত। এই পাথরটি প্রাক-ইসলামী পৌত্তলিক যুগে ওই স্থানে পূজিত হত। কাবায় প্রাক-ইসলামী যুগে ৩৬০টি পৌত্তলিক মূর্তি রাখা ছিল, এবং কালো পাথরটি তার পূর্ব কোণে স্থাপিত ছিল। এটি সেমিটিক ঐতিহ্যের 'বাইটিল' (পবিত্র পাথর) এর অংশ ছিল, যা আকাশী দেবতাদের সাথে যুক্ত ছিল, যেমন হুবাল। প্রাক-ইসলামী আরবরা এটিকে ...

নবী মুহাম্মদ পৌত্তলিক দেবতা লাত, ওজ্জা ও মানাতকে সিজদা করেছিল

Image
মুহাম্মদ যখন তার ধর্ম প্রচার শুরু করে, তখন থেকেই সে পৌত্তলিক দেবতাদের নিন্দা করে আয়াত নামাতে থাকে। এর ফলে কুরাইশ গোত্রের লোকেরা মুহাম্মদ এবং তার হাশেমী গোত্রের বিরুদ্ধে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বয়কট শুরু করে। এতে মুহাম্মদ এবং তার লোকেরা খুব কষ্টে পড়ে। এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য মুহাম্মদ কুরাইশদের সঙ্গে মিলমিশের উপায় খুঁজতে থাকে। তাই সে পৌত্তলিক দেবতাদের প্রশংসা করে সন্ধির চেষ্টা করে। সুরা নাজমে এই বিষয়ে সে তিনটি আয়াত নামায় এবং কুরাইশদের সামনে পড়ে শোনায়। সুরা আন-নাজম, আয়াত ১৯-২১: তোমরা কি লাত এবং ওজ্জা নিয়ে ভেবে দেখেছ? আর তৃতীয় মানাত নিয়ে? তারা উড়ন্ত সারস পাখির মতো উঁচুতে উড়ে, তাদের মধ্যস্থতা অনুমোদিত। এই কথা শুনে কুরাইশরা খুব খুশি হয়, কারণ মুহাম্মদ তাদের দেবী লাত, ওজ্জা এবং মানাতের প্রশংসা করেছে এবং সেগুলোকে মেনে নিয়েছে। আয়াত পড়া শেষ হতেই মুহাম্মদসহ সব মুসলিম, মুশরিক এবং উপস্থিত লোকেরা এই দেব-দেবীদের সামনে মাথা নত করে সিজদাহ করে। শুধু একজন বুড়ো সাহাবী, আল ওয়ালিদ ইবনে আল মুগীরা, তিনি এটি করেনি। এই খবর কয়েক দিনের মধ্যে আবিসিনিয়ায় পৌঁছে যায়। সেখানে কিছু মুসলিম হিজর...

নোংরা নবী মুহাম্মদ, ঘরের ভিতর প্রস্রাব পায়খানা করত

Image
মুহাম্মদ, যে নাকি ইসলামের নবী দাবি করে, সে ঘরের ভেতরে প্রস্রাব করত। সেই প্রস্রাব রাতভর ঘরে পড়ে থাকত, ফলে পুরো ঘর দুর্গন্ধে ভরে যেত। এই দুর্গন্ধের মধ্যেই সে ঘুমাত এবং তার স্ত্রীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করত। এটা কি কোনো সভ্য মানুষের কাজ? মিশকাত আল-মাসাবিহ (হাদিস একাডেমি, অধ্যায়: পবিত্রতা, উপ-অধ্যায়: নিজেকে পরিষ্কার করার শিষ্টাচার, হাদিস ৩৬২) থেকে জানা যায়, উমায়মাহ বিনত রুকায়কাহ বলেছে: মুহাম্মদের বিছানার নিচে একটি কাঠের পাত্র রাখা থাকত, যেখানে সে রাতে প্রস্রাব করতে। এটা কি একজন তথাকথিত নবীর জন্য শোভন? ইসলামের পক্ষে যারা যুক্তি দেয়, তারা বলে, শত্রুর আক্রমণের ভয়ে মুহাম্মদ রাতে বাইরে যেত না, তাই ঘরে প্রস্রাব করত। কী হাস্যকর যুক্তি! মুহাম্মদ, যে নাকি আল্লাহর বন্ধু এবং ফেরেশতাদের সেনাবাহিনী দিয়ে সুরক্ষিত, সে কি এতটাই ভীতু ছিল যে প্রস্রাব করতে বাইরে যেতে পারত না? তাহলে এই আল্লাহ কি তাকে সামান্য নিরাপত্তা দিতে পারেনি, নাকি আল্লাহর শক্তি এতই দুর্বল? শুধু প্রস্রাব নয়, মুহাম্মদ ঘরের ভেতরে এবং ছাদে মলত্যাগও করত। সহিহ আল-বুখারি (হাদিস ১৫১, আন্তর্জাতিক নম্বর: ১৪৯) অনুযায়ী, আবদুল্লাহ ইবনে উ...

ইসলাম ও মুহাম্মদের শিক্ষা মানুষকে জানোয়ারে পরিণত করে

Image
একজন ভালো মানুষের গুণাবলী কি? আমরা যদি একজন মানুষকে ভালো বলে বিবেচনা করতে চাই, সাধারণত এই গুণাবলী তার মধ্যে থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সততা: সত্য বলা এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকা। দয়া: অন্যের প্রতি সহানুভূতি ও সহযোগিতা দেখানো। সম্মান: সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ। দায়িত্বশীলতা: নিজের কাজ ও প্রতিশ্রুতি পালন করা। ধৈর্য: কঠিন পরিস্থিতিতে শান্ত ও স্থির থাকা। ন্যায়বিচার: সবার প্রতি নিরপেক্ষ ও সমান আচরণ। ক্ষমাশীলতা: অন্যের ভুল মেনে নিয়ে ক্ষমা করা। উদারতা: নিজের সম্পদ বা সময় অন্যের জন্য ব্যয় করা। কিন্তু ইসলাম ও মুহাম্মদের শিক্ষা মানুষকে জানোয়ারে পরিণত করে। কিভাবে? নিচে বিস্তারিত আলোচনা করে তা আপনাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।  ইসলামী শিক্ষা, বিশেষ করে কুরআন এবং হাদিসে বর্ণিত মুহাম্মদের নির্দেশাবলী, মানুষের মধ্যে মানবিকতা এবং নৈতিকতার পরিবর্তে হিংসা, বর্বরতা এবং অমানবিক আচরণকে উত্সাহিত করে। এই শিক্ষাগুলো মানুষকে জানোয়ারের মতো করে তোলে, যেখানে হত্যা, নির্যাতন এবং বৈষম্যকে আল্লাহর  আদেশ হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়। যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোরানে বর্ণিত আয়াত এবং হাদিসগুলো শুধু ঐতিহ...