নোংরা নবী মুহাম্মদ, ঘরের ভিতর প্রস্রাব পায়খানা করত
ইসলামের পক্ষে যারা যুক্তি দেয়, তারা বলে, শত্রুর আক্রমণের ভয়ে মুহাম্মদ রাতে বাইরে যেত না, তাই ঘরে প্রস্রাব করত। কী হাস্যকর যুক্তি! মুহাম্মদ, যে নাকি আল্লাহর বন্ধু এবং ফেরেশতাদের সেনাবাহিনী দিয়ে সুরক্ষিত, সে কি এতটাই ভীতু ছিল যে প্রস্রাব করতে বাইরে যেতে পারত না? তাহলে এই আল্লাহ কি তাকে সামান্য নিরাপত্তা দিতে পারেনি, নাকি আল্লাহর শক্তি এতই দুর্বল?
শুধু প্রস্রাব নয়, মুহাম্মদ ঘরের ভেতরে এবং ছাদে মলত্যাগও করত। সহিহ আল-বুখারি (হাদিস ১৫১, আন্তর্জাতিক নম্বর: ১৪৯) অনুযায়ী, আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেছে: “একদিন আমি আমাদের বাড়ির ছাদে উঠে দেখি, মুহাম্মদ দুটি ইটের উপর বসে, বায়তুল মুকাদ্দাসের (জেরুজালেম) দিকে মুখ করে মলত্যাগ করছে।”
এটা কি কোনো সুস্থ মানুষের কাজ? ছাদে বসে মলত্যাগ করা, যেখানে অন্যরা দেখতে পায়, এটা কি লজ্জাজনক নয়? এই আচরণ কি প্রমাণ করে না যে মুহাম্মদ ছিল একজন অস্বাস্থ্যকর ও অসভ্য ব্যক্তি?
মুহাম্মদ এমনকি একটি পাঁচ বছরের শিশুর মুখে থুথু ফেলেছিল। সহিহ বুখারি (হাদিস ৭৭) অনুযায়ী, মাহমুদ ইবনে রাবি বলেছে, মুহাম্মদ একটি বালতি থেকে পানি নিয়ে কুলি করে রাবির (হাদিস বর্ণনাকারী) মুখে থুথু ফেলেছিল যখন রাবি (হাদিস বর্ণনাকারী) পাঁচ বছরের ছিলেন। এমন নোংরা কাজ কেবল একজন নীচ মানুষই করতে পারে।
তার অন্ধ ভক্তরা মুহাম্মদের থুথু শরীরে মাখত। সহিহ বুখারি (হাদিস ২৭৩১-২৭৩২) অনুযায়ী, মুহাম্মদ যখনই থুথু ফেলত, তার সঙ্গীরা তা ধরে মুখে-শরীরে মাখত।
মুহাম্মদ তার অনুসারীদের থুথু-মেশানো পানি খাওয়াত। সহিহ মুসলিম (হাদিস ৬১৮০) অনুযায়ী, আবু মুসা আশআরি বলেছে, মুহাম্মদ একটি পাত্রে পানি নিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে তাতে থুথু ফেলত। তারপর বলত, “তোমরা এটা পান করো, মুখে-বুকে ঢালো এবং সুসংবাদ গ্রহণ করো।” উম্মে সালামা পর্দার আড়াল থেকে বলল, “তোমাদের মায়ের জন্য কিছু রেখো।” তারা তার জন্য কিছু রেখেছিল। এটা কি মুহাম্মদের অস্বাস্থ্যকর ও বিস্ময়কর আচরণের প্রমাণ নয়?
মুহাম্মদের এইসব কাজ, ঘরে প্রস্রাব, ছাদে মলত্যাগ, শিশুর মুখে থুথু ফেলা, আর তার ভক্তদের থুথু-মেশানো পানি খাওয়ানো প্রমাণ করে যে সে ছিল একজন অসভ্য, অস্বাস্থ্যকর এবং নীচ ব্যক্তি, যে কোনোভাবেই আদর্শ মানুষ হতে পারেন না।

Comments
Post a Comment