Posts

Showing posts from May, 2025

ইসলাম হিংস্রতা আর অশান্তির ধর্ম

Image
ইসলাম যে একটি হিংস্রতা ও অমানবিক ধর্ম তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কোরানে সরাসরি অমুসলিমদের হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূরা আন-নিসা, আয়াত ৮৯ এ বলা হয়েছে, "তারা চায় যে, তারা যেরূপ অবিশ্বাস করেছে, তোমরাও সেরূপ অবিশ্বাস কর; ফলে তারা ও তোমরা একাকার হয়ে যাও। অতএব আল্লাহর পথে দেশত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের মধ্য হতে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে তাদেরকে যেখানে পাও, সেখানেই গ্রেফতার করে হত্যা কর এবং তাদের মধ্য হতে কাউকেও বন্ধু ও সহায়রূপে গ্রহণ করো না।" সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৫ এ বলা হয়েছে, "অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন তোমরা মুশরিকদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর এবং তাদেরকে পাকড়াও কর, তাদেরকে অবরোধ কর এবং তাদের জন্য প্রতিটি ঘাঁটিতে বসে থাক। তবে যদি তারা তাওবা করে এবং সালাত কায়েম করে, আর যাকাত দেয়, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" একজন মুসলিমকে কোরান ও হাদিসে যেভাবে অমুসলিমদের নির্যাতন ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, তেমনি তাদের জন্য কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি, যা কেবল অমনোবিকই নয় বরং ধৃষ্টতার শামিল। সহীহ...

মুহাম্মদের নারীদের প্রতি লোভ ও ভণ্ডামি

Image
আমি যখন মুহাম্মদের চরিত্র ও কোরআনের আয়াত নিয়ে চিন্তা করি, তখন আমার মনে তীব্র প্রশ্ন জাগে যে তাঁর ব্যক্তিগত লালসা, বিশেষ করে নারীদের প্রতি, ধর্মীয় বিধান রচনায় প্রভাব ফেলেছে কিনা। আল-আহযাব ৩৩:৫০ আয়াতে দেখি, মুহাম্মদের জন্য বিভিন্ন নারীকে বৈধ করা হয়েছে, যা অন্য মুমিনদের জন্য নয়, এবং এটি তাঁর "অসুবিধা" দূর করার জন্য বলা হয়েছে। এটি আমাকে ভাবায়, এই আয়াত কি তিনি নিজেই নিজের স্বার্থে রচনা করেছেন? সহিহ বুখারী ও মুসলিমের হাদিসে আয়েশার সাত বছর বয়সে বিয়ে ও নয় বছরে সংসার শুরুর বিষয়টি আমার কাছে নৈতিক প্রশ্ন তুলে। আয়েশার বর্ণনায় (সহিহ বুখারী ৪৪২৫) তিনি নারীদের নিজেকে মুহাম্মদের কাছে সমর্পণের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান, আর সহিহ মুসলিম ৩২৯৮-এ এক নারীকে দেখে তাঁর যৌন কামনা জাগ্রত হওয়ার কথা শুনে আমি বিস্মিত হই। এমনকি যুদ্ধবন্দী নারী সফিয়্যাহকে ভোগের জন্য পছন্দ করার ঘটনা (সুনান আবু দাউদ ২৯৯৫) আমাকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়: কোরআন কি সত্যিই ঈশ্বরের বাণী, নাকি মুহাম্মদের স্বার্থপূরণের জন্য মানবরচিত? মুহাম্মদের  ভণ্ডামি দুঃশ্চরিত্র মুহাম্মদের ভণ্ডামি কোরান হাদিসেও খোলামেলাভাবে সমর্থন দেয়া হ...

মুহাম্মদের নারী লালসা ও কুরআনের সমর্থন

Image
কুরআনে স্পষ্টভাবে বাল্যবিবাহকে বৈধতা দিয়েছে যা সভ্য সমাজের মানবিক রীতির সাথে সাংঘর্ষিক। ঐতিহাসিকভাবে লক্ষ-কোটি মুসলিম বিশ্বাস করে আসছে যে ইসলাম নাবালিকা মেয়েদের বিয়েকে অনুমোদন করে। যা সূরা আত-ত্বলাক্ব, আয়াত ৪ এ বর্ণিত হয়েছে "তোমাদের যে সব স্ত্রীগণ মাসিক ঋতু আসার বয়স অতিক্রম করেছে তাদের (‘ইদ্দাতের) ব্যাপারে যদি তোমাদের সন্দেহ সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে তাদের ‘ইদ্দাতকাল তিন মাস, আর যারা (অল্প বয়স্কা হওয়ার কারণে) এখনও ঋতুবতী হয়নি (এ নিয়ম) তাদের জন্যও। আর গর্ভবতী স্ত্রীদের ‘ইদ্দাতকাল তাদের সন্তান প্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।" সুতরাং, আল্লাহ ঋতুস্রাব শুরু না হওয়া নারীদের জন্য, অর্থাৎ অল্পবয়সী মেয়েদের জন্য বিবাহ, তালাক এবং ইদ্দতের বিধান নির্ধারণ করেছেন। কোরআন একটি দীর্ঘ ও বিস্তৃত গ্রন্থ, যেখানে আল্লাহর শক্তিমত্তা, পূর্ববর্তী জাতিদের ঘটনা এবং অবিশ্বাসীদের জন্য কঠিন শাস্তির বহু বিবরণ রয়েছে। অথচ একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও নৈতিক ইস্যু, যেমন শিশু বিবাহ সম্পর্কে কোরআনের নীরবতা বিস্ময়কর। ফলস্বরূপ, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অগণিত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে নির্যাতনের ...

ইসলামে দাসীদের প্রতি বর্বরতা

Image
ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা দাসী মহিলাদের প্রতি মুহাম্মদের চেয়ে ভালো আচরণ করতেন। তারা একাধিক পুরুষকে একটি দাসী মহিলাকে ধর্ষণ করতে অনুমতি দেয়নি। কিন্তু ইসলামে, মুহাম্মদ একাধিক মুসলিম পুরুষকে দাসী মেয়ের সাথে অস্থায়ী যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে অনুমতি দিয়েছিলেন। ইসলামে একজন মুসলিম মালিককে বন্দী বা দাসীকে ধর্ষণ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, যা নিজেই মানবতার বিরুদ্ধে একটি বড় অপরাধ। কিন্তু এর বাইরেও ইসলাম দাসীদের প্রতি আরও নির্মম আচরণের অনুমোদন দিয়েছে। প্রথমত, মালিক তার দাসীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করতে পারতেন। তারপর, নিজের কামনা মিটিয়ে তিনি তাকে তার ভাই, দাস বা এমনকি অতিথিদের কাছে হস্তান্তর করতে পারতেন। এরপর, তার ভাই ও দাসেরা একে একে তার সাথে অস্থায়ী যৌন সম্পর্ক (যেমন শিয়া ইসলামে মুত‘আর মতো) স্থাপন করে তাদের কামনা পূরণ করত। সবাই শেষ হলে সেই দাসীকে ইসলামিক দাস বাজারে দ্বিতীয় মালিকের কাছে বিক্রি করা হতো। ইসলাম আরও অনুমতি দিয়েছিল যে, যদি কোনো মালিক তার পুরুষ দাসের স্ত্রীর প্রতি কামনা অনুভব করেন, তবে তিনি সেই দাসীকে তার দাস স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করতে পারতেন। ইহুদি এবং খ্রিস্ট...

ধর্ম একটা কল্পনা

Image
আমি মনে করি, ধর্ম আসলে একটা কল্পনা – একটা অনুমান মাত্র। কোনো ধর্মই সত্য হতে পারে না। আমার চোখে ধর্ম একধরনের ভাইরাসের মতো। ধর্ম মানে হলো অলৌকিকতার মাধ্যমে পৃথিবীকে বোঝার চেষ্টা – যেখানে আল্লাহ, দেবদেবী এবং মৃত্যুর পরের জীবনের বিশ্বাস থাকে। কিন্তু আমি অলৌকিক কিছুতে বিশ্বাস করি না, পারিও না। আমি বিশ্বাস করি, ধর্ম মানুষের দ্বারা তৈরি – বিশেষ করে সেই সময়, যখন জীবন ছিল নিষ্ঠুর, অশিক্ষিত এবং বিজ্ঞানের আলো থেকে বঞ্চিত। মানুষ তখন পৃথিবী ও মৃত্যুকে বোঝার জন্য ঈশ্বর, আল্লাহ বা আত্মার ধারণা তৈরি করেছিল। ধর্ম ছিল একটা নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার—একটি চিন্তার শাসন ব্যবস্থা। একমাত্র ঈশ্বর ও মৃত্যুর পর জীবন – এই দুটি মূল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে ধর্ম। বাকিগুলো স্থান, কাল ও সংস্কৃতির উপর নির্ভরশীল। ধর্ম হলো মানুষের তৈরি করা কাহিনি যেটা পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকর। ঈশ্বর বা আল্লাহ একটি অনুমান মাত্র – যার কোনও প্রমাণ নেই। মানুষের সব প্রশ্নের উত্তর হিসেবে এই "সর্বশক্তিমান আল্লাহ" ধারণা হাজির করা হয়। মৃত্যুর ভয় দূর করার জন্য ‘চিরজীবনের প্রতিশ্রুতি’ দেওয়া হয়, যেন মানুষ দুনিয়ার কষ্ট সহ্য করে। ইসলাম এবং অন্যান্য ধর...