সূরা আল-ফাতিহা: মুক্তমনের ব্যাখ্যা
একটি এমন ধর্ম কল্পনা করুন, যার পবিত্র গ্রন্থের সূচনা হয়েছে একটি প্রার্থনার মাধ্যমে, যা দেখেতে নিরীহ মনে হলেও ভেতরে ভেতরে গভীরভাবে ক্ষতিকর: প্রতিদিন এক বিলিয়নেরও বেশি মানুষ যে সূরাটি পাঠ করে, যা তাদের জীবনের ছন্দের মধ্যেই আনুগত্য, বিভাজন ও ভয়কে প্রোথিত করে। সূরা আল-ফাতিহা, কুরআনের তথাকথিত ‘উদ্বোধন’, কেবল প্রথম অধ্যায়ই নয়; এটি ইসলামের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি, দৈবিক করুণার ছদ্মবেশে উপস্থাপিত প্ররোচনার এক নিখুঁত শিল্পকর্ম। মুসলমানরা একে ‘কুরআনের জননী’ হিসেবে শ্রদ্ধা করে, তাদের বিশ্বাসের সারকথা যা নামাজের প্রতিটি রাকাআতে পাঠ করা হয়। কিন্তু আসুন, পর্দা সরিয়ে যুক্তির শীতল আলোয় এই সাত-আয়াতের প্ররোচনার এই অনবদ্য কীর্তিকে পরীক্ষা করি। কুরআনের প্রথম সূরা হলো সূরা আল-ফাতিহা (উদ্বোধন), যা সাতটি আয়াত নিয়ে গঠিত। এটি মুসহাফের (মানক সংকলিত কুরআন) শুরুতে স্থাপিত এবং ইসলামী নামাজের (সালাহ) প্রতিটি এককে পাঠ করা হয়। আল-ফাতিহাকে মুসলমানরা প্রায়ই আল্লাহর করুণা ও পথনির্দেশের এক গভীর আহ্বান হিসেবে প্রশংসা করে; কিন্তু ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করলে এটি মানব যুক্তিকে ক্ষুণ্ণ করে, অন্ধ আনুগত্যকে উৎসাহিত করে...