ভুয়া নবী মুহাম্মদের বহুবিবাহ ও দাসী সহবত
আমি একজন ইসলাম-বিরোধী হিসেবে যুক্তিযুক্ত এবং যৌক্তিকভাবে দৃঢ়ভাবে বলছি যে, মুহাম্মদের জীবন এবং তার প্রতিষ্ঠিত ধর্ম ইসলাম হলো একটি নৈতিক বিপর্যয় এবং পুরুষতান্ত্রিক অত্যাচারের চূড়ান্ত প্রতীক। তিনি সাধারণ মুসলিমদের জন্য চারজন স্ত্রীর সীমা নির্ধারণ করে নিজে সেই নিয়মকে লঙ্ঘন করে অসংখ্য নারীকে লালসায় ভোগ করেছেন, নির্মমভাবে শিশুকে বিয়ে করে পেডোফিলিয়ার উদাহরণ স্থাপন করেছেন এবং যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে যৌনদাসী হিসেবে ধর্ষণের মতো বর্বরতায় ব্যবহার করেছেন।
এসব কাজ তার চরিত্রের গভীর অসততা, লালসা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকে উন্মোচিত করে, যা ইসলামকে একটি অসভ্য এবং মানবতাবিরোধী ধর্ম হিসেবে প্রমাণিত করে। এই প্রতিবেদনে আমি ইসলামী উৎস যেমন কুরআন, সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম এবং অন্যান্য হাদিস থেকে অকাট্য প্রমাণ তুলে ধরব, যা দেখাবে যে মুহাম্মদ কোনও ঐশ্বরিক নবী নন, বরং একজন লালসুক এবং অত্যাচারী যিনি ধর্মের নামে নিজের স্বার্থ সিদ্ধ করেছেন।
মুহাম্মদের অতিরিক্ত বিয়ের সংখ্যা
কুরআনে সাধারণ মুসলিমদের জন্য বিয়ের সীমা চারজন স্ত্রী নির্ধারিত (কুরআন ৪:৩), কিন্তু মুহাম্মদ এই নিয়মকে নিজের জন্য উন্মুক্ত করে নিয়েছেন কুরআনের ৩৩:৫০ আয়াতে, যেখানে তাকে যত খুশি স্ত্রী এবং দাসী রাখার অশোভন অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টতই তার নিজের "ওহী" দিয়ে নিজেকে সুবিধা দেওয়ার প্রমাণ।
সূরা আহযাবের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা আছে, হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে।
অন্যদের জন্য সীমা, নিজের জন্য অসীম লালসা। ইসলামী উৎস অনুসারে, মুহাম্মদের স্ত্রীদের সংখ্যা ১১ থেকে ১৩ জন, এবং একই সময়ে ৯ থেকে ১১ জন দাসী ছিলেন, যা তার নিজের নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন। সহিহ বুখারী ৫২১৫-এ আনাস বিন মালিক বলেছেন যে, নবী এক রাতে তার সব স্ত্রীদের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতেন, এবং তখন তার নয় জন স্ত্রী ছিলেন, যা তার অস্বাভাবিক লালসার প্রমাণ। এছাড়া সহিহ বুখারী ২৬৮-এও একই কথা উল্লেখ আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে তিনি এক রাতে তার এগারো জন স্ত্রীদের সাথে যান, যেন তিনি কোনও যৌনমানসিক রোগী।
এই অতিরিক্ত বিয়েগুলো কথিত রাজনৈতিক বা যুদ্ধজয়ের ফল, কিন্তু যুক্তিযুক্তভাবে এটি তার লালসা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার, যা ইসলামকে নারীদের দমনের একটি যন্ত্র করে তুলেছে। যদি তিনি সত্যিকারের নবী হতেন, তাহলে এমন লজ্জাজনক দ্বিচারিতা প্রদর্শন করতেন না; এটি তার মানসিকতার অন্ধকার দিক।
মুহাম্মদের সবচেয়ে ঘৃণ্য এবং অমানবিক কাজ হলো আয়েশার সাথে তার বিয়ে, যা ইসলামের নৈতিক দেউলিয়াপনার চরম প্রতীক। সহিহ বুখারী ৫১৩৪-এ বলা হয়েছে যে, মুহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন যখন তার বয়স ছয় বছর, এবং বিবাহ সম্পন্ন করেন (যৌনসম্পর্ক স্থাপন) যখন তার বয়স নয় বছর। যা স্পষ্ট পেডোফিলিয়া এবং শিশু নির্যাতন।
সহিহ মুসলিম ১৪২২-এও এটি নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে আয়েশা নিজে বলেছেন যে তিনি নয় বছর বয়সে মুহাম্মদের সাথে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন। এটি আধুনিক নৈতিকতার সাথে ভয়াবহ সাংঘর্ষিক এবং যেকোনো সভ্য সমাজে অপরাধ। ইসলামী পণ্ডিতরা এটিকে "ঐশ্বরিক অনুমোদন" বলে রক্ষা করেন, কিন্তু যুক্তিযুক্তভাবে এটি মুহাম্মদের বর্বর যুগের প্রতিফলন এবং তার লালসুক মানসিকতা, যা কোনও ঐশ্বরিক নির্দেশ হতে পারে না। এই ঘটনা ইসলামে শিশুবিবাহের প্রথাকে চিরস্থায়ী করে, যা আজও মুসলিম সমাজে নারীদের জীবনকে ধ্বংস করে। যদি ইসলাম নারীদের সম্মান করত, তাহলে এমন একটি ঘৃণ্য উদাহরণকে প্রশংসা করত না; এটি ইসলামের মূলকে পচা প্রমাণ করে।
বন্দী নারী এবং যৌনদাসী: ধর্ষণের ধর্মীয় অনুমোদন এবং বর্বরতা
কুরআন ৩৩:৫০-এ মুহাম্মদকে যুদ্ধবন্দী নারীদের যৌনভোগের অশোভন অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাকে "যা আল্লাহ তোমাকে লুট হিসেবে দিয়েছে" বলা হয়েছে, যা নারীদেরকে যুদ্ধের লুটপাটের মতো বস্তুতে পরিণত করে। এটি যৌনদাসত্বকে ধর্মীয়ভাবে অনুমোদিত করে, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং ধর্ষণের সমতুল্য। মুহাম্মদের দাসীরা ছিলেন মারিয়া আল-কিবতিয়া (যিনি তার পুত্র ইব্রাহিমের মা) এবং রায়হানা বিনত যায়দ, যাদেরকে যুদ্ধে বন্দী করে নেওয়া হয়েছে এবং জোরপূর্বক ভোগ করা হয়েছে। সাফিয়া বিনত হুয়াইয়ের মতো নারীকে তার স্বামীকে হত্যা করে বন্দী করা হয় এবং পরে বিয়ে করা হয়, যা যুদ্ধাপরাধের মতো। সহিহ বুখারী ৫১৫৯-এ আনাস বলেছেন যে, নবী খাইবার এবং মদিনার মাঝামাঝি জায়গায় তিন দিন থেকে সাফিয়া বিনত হুয়াইয়ের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করেন, যা তার স্বামীর হত্যার পরপরই, যা চরম নির্মমতা। ইসলামী উৎস যেমন সহিহ মুসলিম ১৪৩৩-এ বলা হয়েছে যে, বন্দী নারীদের সাথে যৌনসম্পর্ক অনুমোদিত, এমনকি তাদের বিবাহিত হলে তাদের বিবাহ বাতিল করে, যা যুক্তিযুক্তভাবে ধর্ষণ এবং মানসিক নির্যাতন। মুহাম্মদের এই আচরণ ইসলামকে একটি যুদ্ধমুখী, নারীদমনকারী এবং বর্বর ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, যা কোনও সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় এবং মানবতার অপমান।
মুহাম্মদের এই ঘৃণ্য কাজগুলো, অতিরিক্ত বিয়ে, পেডোফিলিয়া এবং বন্দী নারীদের ধর্ষণ অকাট্যভাবে প্রমাণ করে যে ইসলাম তার ব্যক্তিগত লালসা, অত্যাচার এবং মিথ্যা "ওহী"র উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। কুরআন এবং হাদিসের মতো উৎস থেকে এসব প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও, ইসলামী পণ্ডিতরা এগুলোকে "প্রসঙ্গভিত্তিক" বলে ঢেকে রাখেন, কিন্তু যুক্তি বলে যে এটি চরম নৈতিক পতন এবং মানবতাবিরোধী। যদি ইসলাম সত্যিকারের শান্তি এবং সমতার ধর্ম হত, তাহলে তার প্রতিষ্ঠাতার জীবন এমন কলঙ্কিত এবং অমানবিক হত না। এই প্রতিবেদন দৃঢ়ভাবে দেখায় যে মুহাম্মদ এবং ইসলামকে তীব্রভাবে প্রশ্ন করা এবং প্রত্যাখ্যান করা দরকার, না হলে নারীদের অধিকার এবং মানবতা চিরকাল লঙ্ঘিত হবে।

Comments
Post a Comment