Posts

Showing posts from December, 2025

বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির: ইতিহাস এবং সত্য

Image
ইসলামের ইতিহাস সহিংসতা, ধ্বংস এবং অসহিষ্ণুতার গল্পে ভরপুর, যা তার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদের যুদ্ধবাজ, অত্যাচারী এবং ধর্মীয় সাম্রাজ্যবাদী শিক্ষা থেকে উদ্ভূত। মুহাম্মদের নির্দেশে অ-মুসলিম ধর্মস্থান ধ্বংস করার নির্দেশ মুসলিম আক্রমণকারীদের অনুপ্রেরণা দেয়। বাবর এমনই একজন নির্মম আক্রমণকারী, যিনি ভারতে এসে হিন্দু সভ্যতাকে ধ্বংস করে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এটি যুক্তিপূর্ণভাবে প্রমাণ করে যে ইসলাম শান্তির ধর্ম নয়, বরং বিস্তারবাদী এবং অমানবিক। বাবর কে ছিলেন? জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৪৮৩-১৫৩০) ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তিমুর এবং চেঙ্গিস খানের বংশধর, উজবেকিস্তানের ফেরগানা উপত্যকায় জন্মগ্রহণ করেন। কৈশোরে তার পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার রাজ্য হারান এবং যাযাবর জীবন যাপন করেন। ১৫০৪ সালে কাবুল দখল করে তিনি তার ভিত্তি স্থাপন করেন। বাবরকে একজন নির্মম যোদ্ধা হিসেবে দেখা যায়, যিনি ইসলামের জিহাদী আদর্শ (যা মুহাম্মদের যুদ্ধপ্রিয়তা থেকে উদ্ভূত) অনুসরণ করে অ-মুসলিম ভূমি আক্রমণ করেন। যুক্তিযুক্তভাবে, তার কর্মকাণ্ড মুহাম্মদের অসহিষ্ণুতার প্রতিফলন, যা অ-মুসলিমদের প্রতি সহিংসতা উৎসাহিত করে...

শবে মিরাজের চুরি করা গল্প: সেই রাতে মুহাম্মদ ও উম্মে হানির অনৈতিক রাত্রি যাপন

Image
ইসলামের তথাকথিত মিরাজের গল্পটি মুহাম্মদের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য এবং অযৌক্তিক কাহিনীগুলির মধ্যে একটি, যা দেখায় কীভাবে তিনি চারপাশের সংস্কৃতি থেকে ধার করা উপাদানগুলি জোড়া দিয়ে তার উর্ধ আকাশে গমনের দাবিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিলেন। যুক্তিগতভাবে, এটি বিশ্বাসযোগ্যতার সীমা অতিক্রম করে: মুহাম্মদ কথিতভাবে মক্কা থেকে জেরুজালেমে (ইসরা') এক রাতে ভ্রমণ করেন একটি কাল্পনিক ডানাওয়ালা জন্তু বুরাকের পিঠে, তারপর জিবরীল ফেরেশতার সহায়তা ও নির্দেশনায় সাত আকাশে উঠেন (মিরাজ)। সেখানে তিনি আদম, যিশু, মূসা প্রমুখ পূর্ববর্তী নবীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন, বেহেস্ত এবং জাহান্নাম ভ্রমণ করেন, শাস্তি এবং পুরস্কার দেখেন, এবং এমনকি আল্লাহর সাথে দরকষাকষি করেন, মূসার পরামর্শে দৈনিক নামাজের সংখ্যা ৫০ থেকে ৫-এ নামিয়ে আনেন। এই কাহিনীটি মূলত হাদিসে বিস্তারিত বর্ণিত, কুরআনে নয় (যা শুধু সুরা ১৭:১-এ অস্পষ্টভাবে "রাত্রি ভ্রমণ" উল্লেখ করে)। আসল কথা হল মিরাজের গল্পটি মুহাম্মদ তার চাচাতো বোন উম্মে হানির সাথে অপবিত্র সম্পর্ক গোপন করার জন্য তৈরি করেছিলেন। ঐতিহাসিক সূত্র অনুসারে, মিরাজের ভ্রমণটি উম্মে হানির বাড়ি থেক...

নবী মুহাম্মদের আয়ের উৎস কী ছিল?

Image
মুহাম্মদ যখন নিজেকে নবী বলে দাবি করতে শুরু করেন, তখন তার বিশাল পরিবারের খরচ চালানো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তার ঘরে ছিলেন এগারোটি স্ত্রী এবং অনেক দাসী-বাঁদি, যা ছিল একটা হারেমের মতো। ইতিহাস থেকে কোনো রেকর্ড নেই যে তিনি ব্যবসা, শিক্ষা বা কোনো নিয়মিত চাকরি করে এই খরচ মেটাতেন। সাধারণ মানুষের মতো কৃষি, কারিগরি বা অন্য কোনো দক্ষতা দিয়ে সমাজে অবদান রেখে টাকা উপার্জন করতেন এমন কোনো প্রমাণও নেই মুহাম্মদের। মদিনার লোকেরা যে কিছু ছোটখাটো দান দিত, তা তার এত বড় পরিবার চালানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। পরিবর্তে, তার মূল আয়ের উৎস ছিল অবিশ্বাসীদের উপর হামলা করে তাদের সম্পত্তি লুট করা এবং লুটের মাল থেকে তার অংশ নেওয়া। আধুনিক অনুসারীরা প্রায়ই মুহাম্মদকে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা বলে চিত্রিত করেন, এমনকি বলেন যে তিনি খাবার না খেয়ে থাকতেন। কিন্তু এই কথা তার একাধিক বিয়ে, দাসী এবং উপপত্নী রাখার সাথে মেলে না। আকাশ থেকে টাকা না পড়লে, যুক্তিসঙ্গতভাবে তার আয়ের উৎস ছিল অবিশ্বাসীদের উপর আক্রমণ করে লুটপাট, এবং তাদের মারার পর খুমস (এক-পঞ্চমাংশ) অংশ দাবি করা। মুহাম্মদ নিজেই এটা স্বীকার করেছেন যে তার জীবিকা যুদ্ধ থেকে ...